মালদা; ১৬ফেব্রুয়ারী: তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতে পুনরায় অনাস্থা প্রস্তাব পেশ। যা নিয়ে তুঙ্গে রাজনৈতিক চাপানউতোর। প্রকাশ্যে শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। একে অপরকে দোষারোপ করছে ব্লক নেতৃত্ব এবং অঞ্চল নেতৃত্ব। পুরভোটের আবহে বিপাকে শাসকদল। তীব্র কটাক্ষ বিজেপির।মালদহ জেলার হরিশচন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত মালিওর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে পুনরায় অনাস্থা প্রস্তাব আনা হল।শাসকদল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত অনাস্থা প্রস্তাব আনলেন শাসকদলেরই সদস্যরা। আর যার ফলে প্রকাশ্যে এসে পড়েছে শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত ভোটে এই পঞ্চায়েতে ৯ টি আসনের মধ্যে ৪ টি পায় তৃণমূল, ৩ টি কংগ্রেস এবং ২ টি সিপিআইএম। কংগ্রেস এবং সিপিআইএম যৌথভাবে বোর্ড গঠন করে। প্রধান হন সিপিআইএমের তেরিনা খাতুন। কিন্তু ছয় মাস আগে এই ৫ জন সদস্য তৃণমূলে যোগদান করে। ফলে পঞ্চায়েত দখল করে শাসকদল। ব্লক সভাপতি হজরত আলীর হাত ধরে তারা শাসকদলে যোগদান করেন। কিন্তু শাসকদলের পূর্ববর্তী ৪ জন পঞ্চায়েত সদস্য অনাস্থা আনেন ডিসেম্বর মাসের । তাদের অভিযোগ ছিল পয়সার বিনিময়ে ব্লক সভাপতি দলে যোগদান করিয়েছেন। যোগদান নিয়ে তারা কিছু জানেন না। যদিও সেই সময় অনাস্থা বাতিল হয়ে যায় কোর্টের নির্দেশে। প্রধান থেকে যান তরিনা খাতুনই। কিন্তু তিন মাস যেতে না যেতেই পুনরায় অনাস্থা প্রস্তাব আনা হল। অনাস্থা প্রস্তাব আনলেন সেই পূর্ববর্তী ৪ জন শাসকদলের পঞ্চায়েত সদস্য। তাদের সমর্থন করলেন বর্তমান উপ-প্রধান। ফলে পাস হয় অনাস্থা প্রস্তাব। নতুন প্রধান হচ্ছেন জোসনারা খাতুন। আর তুঙ্গে রাজনৈতিক চাপানউতোর। নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তৃনমূলের ব্লক সভাপতি হজরত আলীর অভিযোগ তাকে না জানিয়ে অনাস্থা আনা হয়েছে। যদিও শাসকদলের পঞ্চায়েত সদস্যা জোসনারা খাতুন অনাস্থা এনেছেন তাদের দাবি ব্লক সভাপতি তাদের না জানিয়ে যোগদান করেছিলেন পয়সার বিনিময়ে। ফলে প্রকাশ্যে শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। এদের ভাগবাটোয়ারা ঠিকভাবে হচ্ছিল না। তাই নিজেরা নিজেদের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছে। তৃণমূলের এটাই রাজনীতি। দুর্নীতি এবং কাটমানি ছাড়া তৃণমূল কিছু বোঝেনা বলে তীব্র কটাক্ষ করেছে বিজেপি জেলা সম্পাদক কিষান কেডিয়া।
পঞ্চায়েত সদস্যা জোসনারা খাতুন বলেন, অনাস্থা আনা হয়েছে। আমি নতুন প্রধান হচ্ছি। ডিসেম্বর মাসে কোর্ট থেকে নতুন তালিকা জমা দিতে বলেছিল। কিন্তু এরা নিজেরা প্রধান থেকে গেছিল। তাই আমরা অনাস্থা এনেছি। পঞ্চায়েত সদস্যা জোসনারা খাতুনের স্বামী তথা তৃণমূল নেতা উজির আলী বলেন, কোর্ট থেকে নতুন তালিকা জমা দিতে বলেছিল। ব্লক সভাপতি যেটা বলছেন ওনাকে জানানো হয়নি তা মিথ্যে। বরং উনি যাদের যোগদান করিয়ে ছিলেন পয়সার বিনিময়ে, তা নিয়ে আমাদের জানান নি। উনি আমাদের পঞ্চায়েত, এলাকা সম্বন্ধে কিছু বলতে পারবেন না। উনি বলেছিলেন পাগলে কিনা বলে ছাগলে কি না খায়। কে পাগল আর কে পাগল তা প্রমাণ হয়ে গেল। মালিওর ২ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান তরিনা খাতুনের স্বামী বাবর আলী বলেন, অনাস্থা হয়ে গেছে। যেটা হয়ে গেছে তা নিয়ে তো আর কিছু করা যাবে না। কিন্তু এই ভাবে নিজেদের দলের সদস্যরা নিজেদের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনবে সেটা ঠিক না। আমরা তৃণমূলে যোগদান করেছিলাম সেটা ব্লক সভাপতির হাত ধরে। ব্লক নেতৃত্ব এবং জেলা নেতৃত্ব জানে। আর আমরা যেভাবে পঞ্চায়েত চালিয়েছি কেউ দুর্নীতির অভিযোগ আনতে পারবে না। হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল সভাপতি হজরত আলী বলেন, আমাদেরকে না জানিয়ে অনাস্থা এনেছে। এই ঘটনা আমি উচ্চ নেতৃত্বকে জানাবো। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। যারা যোগদান করেছিল তারা তৎকালীন জেলা সভানেত্রী মৌসুম নূরের নির্দেশে যোগদান করেছিল। এরা এখন পাগলের প্রলাপ বকছে। নিজেরা দুর্নীতি গ্রস্ত, বড় বড় গাড়ি নিয়ে চড়ে বেড়ায়,দুর্নীতি করার জন্য এরকম করছে। জেলা বিজেপি সম্পাদক কিষান কেডিয়া কটাক্ষের সুর চড়িয়ে বলেন, এদের ভাগবাটোয়ারা ঠিক ভাবে হচ্ছিল না। তাই নিজেরা নিজেদের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছে। তৃণমূলের এটাই রাজনীতি। দুর্নীতি এবং কাটমানি ছাড়া তৃণমূল কিছু বোঝেনা। মানুষ সেটা বুঝে গেছে। সময় যোগ্য জবাব দেবে । মালদহ জেলা জুড়ে বারবার দেখা যাচ্ছে শাসকদল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত গুলিতে নিজেরা নিজেদের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনছে।এই নিয়ে তৃণমূলের হাইকমান্ড কঠোর নির্দেশ দিলেও বাস্তব ক্ষেত্রে তার প্রতিফলন হচ্ছে না। সামনেই জেলার ২ পুরসভার ভোট।এই আবহ তে তৃণমূলের এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব অস্বস্তিতে ফেলবে জেলা নেতৃত্বকে।এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের।
কলকাতা: বিশ্বজিৎ সাহা, কলকাতা: উষ্ণ সরস্বতী পুজো দক্ষিণবঙ্গে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে কার্যত শীত উধাও। উত্তরবঙ্গেও বাড়বে তাপমাত্রা। জানুয়ারি মাসে আর ফিরছে না শীতের আমেজ। আজ, বৃহস্পতিবার বিক্ষিপ্তভাবে কুয়াশার দাপট থাকবে সকালের দিকে। সরস্বতী পুজোর সময়ই কলকাতার তাপমাত্রা পৌঁছাতে পারে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি। কলকাতা ও তার আশপাশের এলাকার সকালের দিকে কুয়াশা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গেসঙ্গে পরিষ্কার হবে আকাশ। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৯ ও ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। উত্তরবঙ্গে আরও ২৪ ঘণ্টা একই রকম তাপমাত্রা থাকলেও তারপর থেকে কিছুটা তাপমাত্রা বাড়বে। ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়তে পারে উত্তরবঙ্গে জেলাগুলিতে আগামী কয়েক দিনে।
অর্থাৎ স্বাভাবিকের উপরে উঠবে উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রাও। বিহার সংলগ্ন উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা কুয়াশা সম্ভাবনা। সপ্তাহের শেষ দিকে পার্বত্য এলাকার আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে উত্তরবঙ্গের। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা যাওয়ার সময় দার্জিলিং, কালিম্পং-এর পার্বত্য এলাকায় এবং সিকিমে খুব হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতায় সকালে হালকা কুয়াশা। দিনভর পরিষ্কার আকাশ। দিনের বেলায় শীতের আমেজ উধাও হবে। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট উত্তর-পশ্চিম ভারতে চলছে। এই পশ্চিমী ঝঞ্ঝায় আরব সাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে। এই পশ্চিমী ঝঞ্ঝাটি ক্রমশ ধীরগতিতে পূর্ব ভারতের দিকে এগোবে। এর পিছনেই আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা আসছে উত্তর-পশ্চিম ভারতে। আগামী ২৭ জানুয়ারি শুক্রবার সেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝা উত্তর-পশ্চিম ভারতে ঢোকার সম্ভাবনা রয়েছে।
ডিজেল , পেট্রোল ও রান্নার গ্যাসের লাগামছাড়া মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে জলঙ্গির কাঁটাবাড়ি অঞ্চলে, জলঙ্গি বিধানসভার তৃণমূল তৃণমূল বিধায়ক আব্দুর রাজ্জাকের ডাকে ঐতিহাসিক কর্মীসভা। আজকের এই কর্মী সভা থেকে তৃণমূল নেতৃত্বদের সাধারণ মানুষের থাকার কথা বলেন বিধায়ক আব্দুর রাজ্জাক । এবং সুবিধাবাদী নেতৃত্বদের ঝেঁটিয়ে বিদায় করার কথা বলেন বলেন তিনি। এদিনের এই সভা থেকে তিনি সাধারণ মানুষকে বেশি গুরুত্ব দেন ।
পাশাপাশি পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে বুথে বুথে সংগঠনকে শক্তিশালী এবং মজবুত করতে নির্দেশ দেন তিনি। আজকের এই কর্মীসভায় উপস্থিত ছিলেন জলঙ্গি উত্তর ব্লক সহ সভাপতি গৌতম প্রামাণিক, যুব সভাপতি সালাউদ্দিন সরকার লিটন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এদিন কাঁটাবাড়ি বাজারে এই পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে বিশেষ আলোচনা করা হয়। এছাড়াও দলের সংগঠন নিয়েও আলোচনা হয়। আজকের এই সভায় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থক এর ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।
সুতি: সুতি থানার আহিরণ ভগবতী হরিদ্রাসি বিজ্রের উপর হঠাৎ করেই বিজ্রের জয়েন্টের ক্লাম খুলে যায়, ফাটল দেখা যায় জয়েন্টের রাস্তায়, তড়িঘড়ি ছুটে আসে NH কতৃপক্ষ, শুরু হয় রিপেয়ারিং এর কাজ, যদিও যান চলাচল সচল রাখতে খোলা রয়েছে আপর লেন, পর পর ৩ দিন চলবে বিজ্র রক্ষণাবেক্ষণের কাজ,
ফলে বন্ধ করে দেওয়া হবে পুরোপুরি ভাবে একটি লেন, সকাল থেকেই রয়েছে ৩৪ নং জাতীয় সড়ক দায়িত্বে থাকা একাধিক কর্মীরা,, রয়েছে পুলিশ প্রশাসন,