আমি খানিক অন্যরকম । ঠিক কিরকম তার সঠিক ব্যাখ্যা আমার কাছে নেই। ঠিক সেইরকম যে আলোর থেকে অন্ধকার কে বেশি গুরুত্ব দেয়, ঠিক সেইরকম যেদিকে মানুষের চোখ একেবারে পড়ে না, সেদিকে তাকাতে বেশি ভালোবাসে, যার কেউ নেই তার পাশে গিয়ে দাঁড়াতে বেশী স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে, যার কথা কেউ ভাবে না তার কথা ভাবতে বেশি ভালো লাগে, ভালো লাগে সে সবকিছু করতে যা নিয়ে মানুষ আগে কখনো ভাবেনি, আগে কখনো স্বপ্ন দেখেনি, হোক না একটু অন্যরকম ক্ষতি কি? হোক না একটু অন্যরকম আলোচনা? যা নিয়ে মানুষ নতুন করে ভাববে, নতুন করে জানবে। আজকে তেমনি একজন বিশিষ্ট চরিত্র নিয়ে আমার আলোচনা।
ধনঞ্জয় কে ছারা যেমন আজও গল্পগুলো সত্যি হয়না।, তেমনি অরণ্যের দিনরাত্রি গুলি কেমন যেন ফিকে হয়ে যায় শেখর না থাকলে, আর মঞ্চমুগ্ধ গান বাঘাকে ছাড়া অসম্পূর্ণ। এই বিখ্যাত প্রতিভা উনবিংশ শতাব্দীতে বাংলা চলচ্চিত্রে এক অভিনব কমেডিয়ান কলাকুশলী হিসেবে আমাদের সকলের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় রবিন্দ্রনাথ ঘোষ দস্তিদার। এই আসল নামটা অনেকের কাছে অপরিচিত থাকলেও রবি ঘোষ নাম টা সকলের কাছেই কম-বেশী পরিচিত, আমরা যারা বাংলা চলচ্চিত্রকে অন্তর দিয়ে শ্রদ্ধা করি।
১৯৩১ সালে ২৪শে নভেম্বর, পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৯ সালে সাউথ সুবর্ধন মেইন স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন এবং বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ইন্টার পাশ করে আশুতোষ কলেজে গ্ৰ্যজুয়েশন -র জন্য ভর্তি হন। ১৯৫৩-৫৯ সাল পর্যন্ত ব্যাংশাল কোর্টে তিনি কাজ করার পর পরে তিনি অভিনয় জগৎে পদার্পন করেন। অভিনেত্রী অনুভা গুপ্ত ছিলেন রবি ঘোষ এর প্রথম স্ত্রী। প্রথম স্ত্রী মারা যাবার ১০ বছর পর ১৯৮২ সালে ২৪ শে নভেম্বর বৈশাখীদেবীর সাথে বিবাহ সম্পর্কে লিপ্ত হন ।
সময় টা ৫০-র দশক, উৎপল দত্ত অভিনীত একটি নাটক তখন মঞ্চস্থ কাপাচ্ছে, সেই নাটকে হঠাৎই মঞ্চের এধার থেকে ওধারে শ্যামলা রঙের একটি খাটো ছেলেকে চলে যেতে দেখা যায়। নাটকটি দেখতে এসে ছিলেন বিখ্যাত ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক তথা চিত্রনাট্যকার মৃনাল সেন। মাত্র এক মূহুর্তের অভিব্যক্তি মৃনাল সেন-র হৃদয় কেড়ে নেয়। অত্যন্ত সহজ সরল অভিব্যক্তি থাকলেও রবি ঘোষের চেহারা ছিল চোখে পড়ার মত। উচ্চতা খাটো হলেও ব্যায়ামে মজবুত সুঠাম ছিল তাঁর দেহের গঠন। চোখ দুটো ছিল খুবই প্রানবন্ত। মুখটা ছিল অত্যন্ত অভিব্যক্তিময়, গলার স্বর ছিল খুবই দৃপ্তময়। এককথায় তিনি ছিলেন প্রানবন্ত মানুষ।
রবি ঘোষের অভিনয় ছিল তাঁর রক্তে। তিনি অভিনয় জগৎে আসার আগে ক্রমাগত অভিনয় চালিয়ে যেতেন আশুতোষ কলেজের ছাদে। বন্ধুদের নিয়ে চলত তার নাট্যদলের মোহরা । আরও একটা নেশা ছিল শরীর চর্চা। যদি তিনি অভিনয় জগৎে না আসতেন তাহলে তিনি ব্যায়ামাবীর হতেন। সেটা যে হয়নি সেটা আমাদের চরম সৌভাগ্য। কারণ তাহলে আমরা এত মূল্যবান চলচ্চিত্র গুলি উপহার পেতাম না।
প্রথমে নাটক থেকে ক্যারিয়ার শুরু করলেও শুধুমাত্র নাটকের মধ্যে তার প্রতিভা সমাপ্ত ছিল না। ১৯৫৯ সালে আহ্বান চলচ্চিত্রে প্রথম অভিনয় শুরু করেন, ১৯৬৬ সালে তপন সিনহার গল্প হলেও সত্যি থেকে সবার নজরে আসেন এবং ১৯৬৮ সালে বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় পরিচালিত “গুপীগাইন- বাঘাবাইন” চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনয় চলচ্চিত্র জগৎে একটি মাইলফলক। অভিনয় করতে করতে সর্বদাই তাঁর সঙ্গী ছিল রামকৃষ্ণ চরিতামৃত। এরপর তিনি একে একে উপমহাদেশ খ্যাত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ১৯৭০ সালে গুপীগাইন-বাঘাবাইন চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য বিখ্যাত বার্লিন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে অংশগ্রহণ করেন। তিনি চলাচল থিয়েটার গ্রুপের প্রতিষ্ঠিতা। ১৯৯৮ সালে আনন্দলোক অ্যাওয়ার্ড এবং কলাকার অ্যাওয়ার্ড সন্মানে ভূষিত হন।
বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করে বিশেষ প্রশংসা কুড়িয়েছেন। হাস্যরসাত্মক থেকে নেগেটিভ রোল কোনটাতেই তার প্রতিভা র কোনো খামতি ছিল না। তবে বাংলা চলচ্চিত্র জগৎে সবচেয়ে পরিচিত ছিলেন তিনি হাস্যরসাত্মক চরিত্র রূপায়নে। অন্যদিকে তেমনি জানাঅরন্য বা পদ্মানদীর মাঝামাঝি চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনয় একইভাবে সচেতন এবং দৃঢ়। অভিনয় ব্যতীত তিনি দুটি ছবি পরিচালনাও করেন – নিধি রাম সরদার (১৯৭৬), সাধু যুধিষ্ঠীরের কড়চা (১৯৭৪)। রবি ঘোষের অভিনীত বিখ্যাত ছবিগুলো হল- কাহিনী (১৯৯৭), বাক্স রহস্য (টেলিভিশন) (১৯৯৬) বৃন্দাবন ফিল্ম স্টুডিওস (১৯৯৬), পাতাং (১৯৯৪) পদ্মা নদীর মাঝি (১৯৯৩), আগন্তুক (১৯৯১), গুপী বাঘা ফিরে এলো (১৯৯১), অন্তর্জালি যাত্রা (১৯৮৭), মহাযাত্রা (১৯৮৭), আমার গীতি (১৯৮৩), বাঁচামরার বাগান (১৯৮০), হীরক রাজার দেশে (১৯৮০), পাকা দেখা (১৯৮০), নৌকাডুবি (১৯৭৯), চারমূর্তি (১৯৭৮), জানা অরণ্য (১৯৭৬), কোরাস (১৯৭৪), মৌচাক (১৯৭৪), সঙ্গিনী (১৯৭৪), ঠগিনী (১৯৭৪), বসন্ত বিলাপ (১৯৭৩), মর্জিনা আব্দুল্লাহ (১৯৭৩), আজকের নায়ক (১৯৭২), পদি পিসির বার্মি বাক্স (১৯৭২), সবসে বড়া সুখ (১৯৭২), ধন্যি মেয়ে (১৯৭১), অরণ্যের দিনরাত্রি (১৯৭০), আরোগ্য নিকেতন (১৯৬৯), আপনজন (১৯৬৮), বাঘিনী (১৯৬৮), গুপী গাইন বাঘা বাইন (১৯৬৮), বালিকা বধূ (১৯৬৭), কাল তুমি আলেয়া (১৯৬৬) মণিহার (১৯৬৬), দল গোবিন্দের করচা (১৯৬৬) গল্প হলেও সত্যি (১৯৬৬), উত্তরপুরুষ (১৯৬৬) গৃহ সন্ধানে (১৯৬৬), স্বপ্ন নিয়ে (১৯৬৬), আরোহী (১৯৬৫), মহাপুরুষ (১৯৬৫), এতটুকু বাসা (১৯৬৫), সুরের আগুন (১৯৬৫), আরোহী (১৯৬৪), লাল পাথর (১৯৬৪) শুভ ও দেবতার গ্রাস (১৯৬৪), মোমের আলো (১৯৬৪), অবশেষে (১৯৬৩) নির্জন সৈকতে (১৯৬৩), কষ্টিপাথর (১৯৬৩) শেষ প্রহর (১৯৬৩), ছায়াসূর্য (১৯৬৩), বিনিময় (১৯৬৩), ন্যায়দন্ড (১৯৬৩), পলাতক (১৯৬৩), আগুন (১৯৬২), অভিযান (১৯৬২), হাঁসুলীবাঁকের উপকথা (১৯৬২), মেঘ (১৯৬১), কিছুক্ষণ (১৯৫৯)।
আমরা যে কোন ছবি দেখলে যে চরিত্রগুলো আমাদের কাছে একেবারেই ফিকে হয়ে থাকে ভাঁড় হলো সেই রকমই একটি চরিত্র। কিন্তু আমরা হয়তো জানিই না যে ভাঁড় কিন্তু কাহিনীতে নতুন মাত্রার উন্মোচন ঘটায়। শুধু তাই নয় ছবিকে সম্পূর্ণ করার জন্য হাস্যরসাত্মক ঘটনার গুরুত্ব অপরিসীম। আধুনিক যুগে বসবাস করে চিন্তা-ভাবনা মানুষের না চাইতেও নিত্যকালের সঙ্গী। হাসতে মানুষ ভুলেই গেছে তাই কোন ছবি দেখার সময় মাত্র তিন ঘন্টা সময় যদি মানুষকে একটু হাসির জোয়ারে ভাসিয়ে নিয়ে যেতে পারে তার থেকে পূর্ণ্য আর কিছুই হতে পারে না বলে রবি ঘোষ স্বয়ং মনে করতেন। তিনি আরও বলেছিলেন যে ভাঁড় সম্পর্কিত মানুষের মনোভাব সঠিক নয়, দর্শকরা মনে করেন এদের দিয়ে বোধহয় অভিনয় হয় না এরা শুধুই ভাঁড়, এদের দেখলেই হাসতে হবে। অথচ রবি ঘোষ স্বয়ং অভিযান ছবিতে অত্যন্ত গভীর গভীর মুহূর্তগুলো সৃষ্টি করেছিলেন। সেখানে ছিলেন তিনি শুধুই অভিনেতা, ক্রাউন নন। কমেডি সম্পর্কিত মানুষের অশ্রদ্ধা এবং মানুষের মধ্যে এই সম্পর্কিত ধারণাটা পরিষ্কার নয় কারণ চলচ্চিত্র হল এসেন্সিয়াল ডিরেক্টরস মিডিয়াম অর্থাৎ পরিচালক অভিনেতাদের যেমন ভাবে ব্যবহার করবেন তার ব্যবহারিক কার্যকলাপে অভিনয় এর মাত্রা পরিস্ফুট হবে।
আজকের যুগে দাঁড়িয়ে রবি ঘোষের মতো প্রতিভা খুঁজে পাওয়া বিরল । এই অসাধারণ ব্যক্তিত্বের অভিনয় প্রতিভা ভাষায় ব্যক্ত করার মতো নয়। তিনি বাংলা চলচ্চিত্র জগতে অভিনয়ের মাধ্যমে যতটুকু দিয়েছেন রুপোলি পর্দার জগত তাঁর জন্য চিরকালই ঋনী হয়ে থাকবে। রবি ঘোষের চলচ্চিত্র না দেখলে বোঝা যায় না তিনি সিনেমা জগতে কতটা জায়গা জুড়ে ছিলেন। ১৯৯৮ সালে শেষ ছবি কাহিনী, তারপরই পশ্চিম আকাশে সূর্য ডোবার পালা কারণ ঐ বছরে মাত্র ৬৫ বছর বয়সে তিনি ইহলোক ত্যাগ করেন। কিন্তু চলচ্চিত্র প্রেমীদের মনে একইভাবে উজ্জ্বল হয়ে থাকবেন এবং তাঁর অভিনীত চরিত্র গুলির মাধ্যমে আমাদের মনে চিরকাল অমর হয়ে থাকবেন।
কলকাতা: বিশ্বজিৎ সাহা, কলকাতা: উষ্ণ সরস্বতী পুজো দক্ষিণবঙ্গে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে কার্যত শীত উধাও। উত্তরবঙ্গেও বাড়বে তাপমাত্রা। জানুয়ারি মাসে আর ফিরছে না শীতের আমেজ। আজ, বৃহস্পতিবার বিক্ষিপ্তভাবে কুয়াশার দাপট থাকবে সকালের দিকে। সরস্বতী পুজোর সময়ই কলকাতার তাপমাত্রা পৌঁছাতে পারে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি। কলকাতা ও তার আশপাশের এলাকার সকালের দিকে কুয়াশা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গেসঙ্গে পরিষ্কার হবে আকাশ। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৯ ও ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। উত্তরবঙ্গে আরও ২৪ ঘণ্টা একই রকম তাপমাত্রা থাকলেও তারপর থেকে কিছুটা তাপমাত্রা বাড়বে। ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়তে পারে উত্তরবঙ্গে জেলাগুলিতে আগামী কয়েক দিনে।
অর্থাৎ স্বাভাবিকের উপরে উঠবে উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রাও। বিহার সংলগ্ন উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা কুয়াশা সম্ভাবনা। সপ্তাহের শেষ দিকে পার্বত্য এলাকার আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে উত্তরবঙ্গের। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা যাওয়ার সময় দার্জিলিং, কালিম্পং-এর পার্বত্য এলাকায় এবং সিকিমে খুব হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতায় সকালে হালকা কুয়াশা। দিনভর পরিষ্কার আকাশ। দিনের বেলায় শীতের আমেজ উধাও হবে। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট উত্তর-পশ্চিম ভারতে চলছে। এই পশ্চিমী ঝঞ্ঝায় আরব সাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে। এই পশ্চিমী ঝঞ্ঝাটি ক্রমশ ধীরগতিতে পূর্ব ভারতের দিকে এগোবে। এর পিছনেই আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা আসছে উত্তর-পশ্চিম ভারতে। আগামী ২৭ জানুয়ারি শুক্রবার সেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝা উত্তর-পশ্চিম ভারতে ঢোকার সম্ভাবনা রয়েছে।
ডিজেল , পেট্রোল ও রান্নার গ্যাসের লাগামছাড়া মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে জলঙ্গির কাঁটাবাড়ি অঞ্চলে, জলঙ্গি বিধানসভার তৃণমূল তৃণমূল বিধায়ক আব্দুর রাজ্জাকের ডাকে ঐতিহাসিক কর্মীসভা। আজকের এই কর্মী সভা থেকে তৃণমূল নেতৃত্বদের সাধারণ মানুষের থাকার কথা বলেন বিধায়ক আব্দুর রাজ্জাক । এবং সুবিধাবাদী নেতৃত্বদের ঝেঁটিয়ে বিদায় করার কথা বলেন বলেন তিনি। এদিনের এই সভা থেকে তিনি সাধারণ মানুষকে বেশি গুরুত্ব দেন ।
পাশাপাশি পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে বুথে বুথে সংগঠনকে শক্তিশালী এবং মজবুত করতে নির্দেশ দেন তিনি। আজকের এই কর্মীসভায় উপস্থিত ছিলেন জলঙ্গি উত্তর ব্লক সহ সভাপতি গৌতম প্রামাণিক, যুব সভাপতি সালাউদ্দিন সরকার লিটন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এদিন কাঁটাবাড়ি বাজারে এই পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে বিশেষ আলোচনা করা হয়। এছাড়াও দলের সংগঠন নিয়েও আলোচনা হয়। আজকের এই সভায় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থক এর ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।
সুতি: সুতি থানার আহিরণ ভগবতী হরিদ্রাসি বিজ্রের উপর হঠাৎ করেই বিজ্রের জয়েন্টের ক্লাম খুলে যায়, ফাটল দেখা যায় জয়েন্টের রাস্তায়, তড়িঘড়ি ছুটে আসে NH কতৃপক্ষ, শুরু হয় রিপেয়ারিং এর কাজ, যদিও যান চলাচল সচল রাখতে খোলা রয়েছে আপর লেন, পর পর ৩ দিন চলবে বিজ্র রক্ষণাবেক্ষণের কাজ,
ফলে বন্ধ করে দেওয়া হবে পুরোপুরি ভাবে একটি লেন, সকাল থেকেই রয়েছে ৩৪ নং জাতীয় সড়ক দায়িত্বে থাকা একাধিক কর্মীরা,, রয়েছে পুলিশ প্রশাসন,