পেট ভরে গেলেও মন ভরবে না। যত পাই তত খাই ব্যাপারটা সারাদিনই থেকে যাবে। এই চুরু গ্রামেই রয়েছে চপ্পর কৃষ্ণসার অভয়ারণ্য। অফবিট জায়গা যাঁরা ভালোবাসেন তাঁদের অরুণাচলের জিরো ভ্যালি গ্রামটি বেশ ভালো লাগবে। পর্যটনের যাবতীয় সুযোগ সুবিধা রয়েছে। তা সত্ত্বেও ভারতের কিছু জায়গায় লোকসমাগম তুলনামূলক কমই হয়। তালিকায় যেমন রয়েছে ঐতিহাসিক স্থল তেমনই রয়েছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা স্থান। যাঁরা নিরিবিলি পছন্দ করেন তাঁদের জন্য কিন্তু জায়গাগুলি সেরা।
বিষ্ণুপুর, বাঁকুড়া বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের বিখ্যাত তিনটি জিনিস হল সংগীত, শাড়ি এবং টেরাকোটা বা পোড়া মাটির কাজ। কিন্তু তা বলে বিষ্ণুপুর কিন্তু এখানেই থেমে থাকেনি। ইতিহাসের এক বিরাট সাক্ষী এই বিষ্ণুপুর। মল্ল রাজবংশের স্থাপন করেছিলেন আদি মল্ল। দশম মল্ল রাজ জগত মল্ল তাঁর রাজ্য স্থানান্তরিত করেছিলেন বিষ্ণুপুরে। বাংলার প্রকৃতিতে পাথরের পরিমাণ কম। তাই এখানকার প্রধান সম্পদ মাটি দিয়েই টেরাকোটার মতো অনবদ্য শিল্পকলার সৃষ্টি হয়েছিল এখানে। এখানকার প্রতিটি দর্শণীয় স্থানে হিন্দু পৌরাণিক কাহিনি আঁকা আছে পোড়ামাটি দিয়ে। এখানে রয়েছে রাসমঞ্চ। ইটের তৈরি এই প্রাচীন মন্দিরটি ১৬০০ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন রাজা হাম্বির। রয়েছে রাজা জগত মল্লের তৈরি মৃন্ময়ী মন্দির। তৈরি হয়েছিল ৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে। দেবী দুর্গা এখানে মা মৃন্ময়ী হিসাবে পূজিত হন। বাংলার প্রাচীনতম দুর্গা পূজা (প্রায় ১০২১ বছর) হয় এখানে। এছাড়াও জোড়বাংলা মন্দির, শ্যাম রায় মন্দির, গর দরজা (বিষ্ণুপুর দুর্গ প্রবেশের দরজা), মদনমোহন মন্দির, জোড় শ্রেণি মন্দির / পোড়ামাটির হাট অঞ্চল, প্রত্নতাত্ত্বিক সংগ্রহশালা, তখনকার বিখ্যাত বাইজি লালবাইয়ের নাম অনুসারে তৈরি লালবাঁধ, ষাঁড়েশ্বর এবং শৈলেশ্বর মন্দির নিজের চোখের দেখে তার ইতিহাস শোনার আনন্দই আলাদা।
বিষ্ণুপুরের বিখ্যাত সিল্ক বা বালুচরী তৈরির তাঁতঘর গুলিও দেখার মতো জিনিস। তবে বিষ্ণুপুর ঘরানার সংগীতের অভাবটা স্পষ্ট অনুভব করবেন। আধুনিক শিল্পীদের মধ্যে এই সংগীতচর্চার আগ্রহের অভাব রয়েছে যথেষ্ট।
চুরু, রাজস্থান কিছুদিন আগে একটি কথা দারুণ জনপ্রিয় হয়েছিল। “টুরু লাভ।” True Love-এ বাংলা অপভ্রংশ। আর নিরিবিলিতে ঘুরে গেলে রাজস্থানের এই গ্রামে এসে আপনি বলবহেন “চুরু লাভ।” কারণ থর মরুভূমির পাশে অবস্থিত এই গ্রামের নাম চুরু। আর এখানে এসে যে আনন্দটি পর্যটকরা লাভ করবেন তাকে “চুরু লাভ” ছাড়া আর কোনও নাম দেওয়া যায় না। গ্রামের পুরোনো অট্টালিকা বা হাভেলির ছবিগুলি আপনাকে নিয়ে যাবে প্রাচীন ইতিহাসের সংসারে। সেখানকার মশলাদার খাবারের কোনও তুলনা হয় না। পেট ভরে গেলেও মন ভরবে না। যত পাই তত খাই ব্যাপারটা সারাদিনই থেকে যাবে। এই চুরু গ্রামেই রয়েছে চপ্পর কৃষ্ণসার অভয়ারণ্য। এখানে রয়েছে প্রচুর কৃষ্ণসার হরিণ। এখানে সহজে কেউ ঢুকে গুলি করে হরিণ মারতে পারে না। জুলাই মাসের শেষে দিকে এই অভয়ারণ্যে ভিড় জমায় প্রচুর পরিযায়ী পাখি। অগাস্ট মাস পর্যন্ত এখানেই সাময়িক বাসা বাঁধে তারা। যতই মরুভূমির কাছে হোক না কেন বর্ষায় অভয়াণ্যের সৌন্দর্য আরও বেড়ে যায়। নিরিবিলিতে ঘুরতে যাঁরা ভালোবাসেন তাঁদের একবার কিছুদিন চুরু-তে ঘুরে আসা উচিত।
যাঁরা ভালোবাসেন তাঁদের অরুণাচলের জিরো ভ্যালি গ্রামটি বেশ ভালো লাগবে। এটি আমাদের দেশের একটি যেন লুকোনো সম্পদ। ইটানগর থেকে জিরো-তে যাওয়ার গাড়ি পাবেন। সেখানে গেলে দেখা হবে আপতনি আদিবাসীদের সঙ্গে। এই গ্রামের ঘন অরণ্য, বাঁশ বাগান এবং ধানের খেত আমাদের দেশের আর পাঁচটা গ্রামের চেয়ে অনেকটাই আলাদা। খাবার কিংবা পানীয়ের জন্য গ্রামেরই কোনও পরিবারের কাছে অনুরোধ জানাতে পারেন। অর্থের বিনিময়ে দারুণ সব পাহাড়ি সুস্বাদু পদ জিভকে শান্তি দেবে। জিরোর সংগীত উৎসব বিশ্ববিখ্যাত। হালেবিড়ু বা হৈলেবিডু কর্ণাটকের হাসান জেলার একটি ছোটো শহর। হৈলেবিড়ু শব্দের অর্থ পুরনো শহর। যদিও শহরটির প্রাচীন নাম দোরসমুদ্র বা দ্বারসমুদ্র। বারোশো শতাব্দীতে হোয়সল সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল এটি। এই শহরে রয়েছে হোয়সল স্থাপত্যের বেশ কয়েকটি শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। এগুলির মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হোয়সলেশ্বর এবং কেদারেশ্বর মন্দির। হালেবিডুর মন্দির চত্বরে রয়েছে দুটি হিন্দু মন্দির এবং দুটি জৈন মন্দির। মন্দিরগুলির সামনে রয়েছে একটি বড় হ্রদ। হোয়সলেশ্বর মন্দিরের দুই পাশে দুটি একশিলা নন্দী মূর্তি রয়েছে।
এই মন্দিরগুলি সোপস্টোন (ক্লোরিটিক সিস্ট) নামে এক ধরনের কোমল পাথরে নির্মিত। মন্দির চত্বরের মধ্যে একটি পুরাতাত্ত্বিক জাদুঘরও রয়েছে। মন্দিরের ভাস্কর্য তার সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত। মন্দিরের দেওয়ালে হিন্দু পুরাণ, পশুপাখি ও ‘শিলাবালিকা’ বা নর্তকীর অসংখ্য খোদাই চিত্র দেখা যায়। মন্দিরের এক এক ভাস্কর্য একেক রকম, একটির সঙ্গে অপরটির কোনও মিল নেই। ৮৬ বছরের চেষ্টাতেই এই মন্দিরটির নির্মাণকার্য শেষ করা যায়নি। এই মন্দিরের নিকটবর্তী জৈন মন্দিরটিও সুন্দর ভাস্কর্যের জন্য বিখ্যাত। এই মন্দিরের ভিতর কালো গ্র্যানাইট পাথরে নির্মিত ১৮ ফুট উঁচু পার্শ্বনাথের একটি মূর্তি রয়েছে।
শান্তিনাথ মন্দির নির্মিত হয়েছে দ্বিতীয় বীর বল্লালের রাজত্বকালে ১১৯২ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ। এখানে শান্তিনাথের একটি ১৮ ফুট উঁচু বিগ্রহ রয়েছে। হেলাবিড়ুর মন্দিরগুলি এখন প্রস্তাবিত ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান। খুব কম পর্যটকই এই স্থানটির খবর রাখেন।
মান্নার সামুদ্রিক জাতীয় উদ্যান, তামিলনাড়ু তামিলনাড়ুর রামেশ্বরম এবং তুতিকোরিনের মাঝে ভারত মহাসাগরে রয়েছে মান্নার সামুদ্রিক জাতীয় উদ্যান। এর আয়তন প্রায় সাড়ে দশ হাজারক বর্গ কিলোমিটার। এখানে রয়েছে ২১টি দ্বীপ। প্রতি দ্বীপের রয়েছে সমুদ্র তট এবং সমুদ্রখাঁড়ি। ম্যানগ্রোভ অরণ্যের সৌন্দর্য্য থেকে শুরু করে নানা প্রজাতির সামুদ্রিক প্রাণী দেখেতে দেখতেই এখানে সময় কাটিয়ে দেওয়া যায়। এখানে লোকজনের সমাগম কমই হয়। ফলে নিরিবিলতে সমুদ্রের সঙ্গে সময় কাটানো যায় অনায়াসে। সমুদ্রে ঘোরার জন্য নির্দিষ্ট নৌকা ভাড়া পাওয়া যায়। সঙ্গে থাকেন প্রশিক্ষিত গাইড। মান্নার জাতীয় উদ্যানের নিকটস্থ রেল স্টেশন হল মদনাপম এবং তুতিকোরিন।
কলকাতা: বিশ্বজিৎ সাহা, কলকাতা: উষ্ণ সরস্বতী পুজো দক্ষিণবঙ্গে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে কার্যত শীত উধাও। উত্তরবঙ্গেও বাড়বে তাপমাত্রা। জানুয়ারি মাসে আর ফিরছে না শীতের আমেজ। আজ, বৃহস্পতিবার বিক্ষিপ্তভাবে কুয়াশার দাপট থাকবে সকালের দিকে। সরস্বতী পুজোর সময়ই কলকাতার তাপমাত্রা পৌঁছাতে পারে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি। কলকাতা ও তার আশপাশের এলাকার সকালের দিকে কুয়াশা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গেসঙ্গে পরিষ্কার হবে আকাশ। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৯ ও ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। উত্তরবঙ্গে আরও ২৪ ঘণ্টা একই রকম তাপমাত্রা থাকলেও তারপর থেকে কিছুটা তাপমাত্রা বাড়বে। ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়তে পারে উত্তরবঙ্গে জেলাগুলিতে আগামী কয়েক দিনে।
অর্থাৎ স্বাভাবিকের উপরে উঠবে উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রাও। বিহার সংলগ্ন উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা কুয়াশা সম্ভাবনা। সপ্তাহের শেষ দিকে পার্বত্য এলাকার আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে উত্তরবঙ্গের। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা যাওয়ার সময় দার্জিলিং, কালিম্পং-এর পার্বত্য এলাকায় এবং সিকিমে খুব হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতায় সকালে হালকা কুয়াশা। দিনভর পরিষ্কার আকাশ। দিনের বেলায় শীতের আমেজ উধাও হবে। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট উত্তর-পশ্চিম ভারতে চলছে। এই পশ্চিমী ঝঞ্ঝায় আরব সাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে। এই পশ্চিমী ঝঞ্ঝাটি ক্রমশ ধীরগতিতে পূর্ব ভারতের দিকে এগোবে। এর পিছনেই আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা আসছে উত্তর-পশ্চিম ভারতে। আগামী ২৭ জানুয়ারি শুক্রবার সেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝা উত্তর-পশ্চিম ভারতে ঢোকার সম্ভাবনা রয়েছে।
ডিজেল , পেট্রোল ও রান্নার গ্যাসের লাগামছাড়া মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে জলঙ্গির কাঁটাবাড়ি অঞ্চলে, জলঙ্গি বিধানসভার তৃণমূল তৃণমূল বিধায়ক আব্দুর রাজ্জাকের ডাকে ঐতিহাসিক কর্মীসভা। আজকের এই কর্মী সভা থেকে তৃণমূল নেতৃত্বদের সাধারণ মানুষের থাকার কথা বলেন বিধায়ক আব্দুর রাজ্জাক । এবং সুবিধাবাদী নেতৃত্বদের ঝেঁটিয়ে বিদায় করার কথা বলেন বলেন তিনি। এদিনের এই সভা থেকে তিনি সাধারণ মানুষকে বেশি গুরুত্ব দেন ।
পাশাপাশি পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে বুথে বুথে সংগঠনকে শক্তিশালী এবং মজবুত করতে নির্দেশ দেন তিনি। আজকের এই কর্মীসভায় উপস্থিত ছিলেন জলঙ্গি উত্তর ব্লক সহ সভাপতি গৌতম প্রামাণিক, যুব সভাপতি সালাউদ্দিন সরকার লিটন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এদিন কাঁটাবাড়ি বাজারে এই পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে বিশেষ আলোচনা করা হয়। এছাড়াও দলের সংগঠন নিয়েও আলোচনা হয়। আজকের এই সভায় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থক এর ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।
সুতি: সুতি থানার আহিরণ ভগবতী হরিদ্রাসি বিজ্রের উপর হঠাৎ করেই বিজ্রের জয়েন্টের ক্লাম খুলে যায়, ফাটল দেখা যায় জয়েন্টের রাস্তায়, তড়িঘড়ি ছুটে আসে NH কতৃপক্ষ, শুরু হয় রিপেয়ারিং এর কাজ, যদিও যান চলাচল সচল রাখতে খোলা রয়েছে আপর লেন, পর পর ৩ দিন চলবে বিজ্র রক্ষণাবেক্ষণের কাজ,
ফলে বন্ধ করে দেওয়া হবে পুরোপুরি ভাবে একটি লেন, সকাল থেকেই রয়েছে ৩৪ নং জাতীয় সড়ক দায়িত্বে থাকা একাধিক কর্মীরা,, রয়েছে পুলিশ প্রশাসন,