মালদা ২১মে: মহামারীর দ্বিতীয় কবলে দেশ আবার দিশেহারা।একদিকে করোনা সংক্রমণ,অপরদিকে লকডাউন।বেকারত্বের ছায়া গ্রাস করছে বহু পরিবারকে। এই পরিস্থিতিতে সরকারের পরিষেবার আশায় বসে আছে মানুষ। এই সময় এগিয়ে এসেছে বহু স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও ক্লাব। এরকম পরিস্থিতিতে এমনই এক নজির দেখা গেলো মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে। করোনাকালে কারও শ্বাসকষ্টের সমস্যা হলে অক্সিজেন সিলিন্ডার পৌঁছে দিয়েছেন। এছাড়া নানাভাবে বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এবার নিজেদের ক্লাব ভবনে সেফ হোম চালু করল মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর সংগঠন সমিতি। বৃহস্পতিবার থেকে ওই সেফ হোম চালু করা হয়েছে। গত বছর করোনা আবহে হরিশ্চন্দ্রপুর আইটিআই কলেজে সেফ হোম চালু করা হয়েছিল। কিন্তু এবার প্রকোপ কয়েকগুণ বাড়লেও এখনও তা নেই। ফলে সংক্রমিতদের অনেককেই বাড়িতে নিভৃতবাসে থাকায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তাদের পাশাপাশি যাদের সামান্য উপসর্গ রয়েছে, তাদের কথা ভেবেই ক্লাব ঘরে সেফ হোম চালু করার পরিকল্পনা বলে ক্লাব সূত্রে জানা গিয়েছে। বৃহস্পতিবার এই উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠন সমিতির সম্পাদক অনুপ দাস, সুবীর রায় চৌধুরী,ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য তারকেশ্বর রায়, সহ অন্যান্যরা।
জেলার অন্যতম পুরনো ও মহকুমার প্রথম এই ক্লাবের নাম হরিশ্চন্দ্রপুর সংগঠন সমিতি। ৯৯ বছরের পুরনো এই ক্লাবের আজীবন সদস্যদের তালিকায় বহু বিশিষ্টরাই রয়েছেন। একসময় সদস্যরা নিয়মিত নাটক করতেন বলে ক্লাব ভবনটিকে বড়সড় প্রেক্ষাগৃহের আকারে তৈরি করা হয়। ক্লাবের চারটি অক্সিজেন সিলিন্ডার রয়েছে। করোনাকালে বিভিন্ন সময়ে তারা সংক্রমিতদের সমস্যা হলে অক্সিজেন সিলিন্ডার পৌঁছে দিচ্ছেন। কিন্তু সেফ হোমের সমস্যার কথা ভেবেই ক্লাব ভবনে তা চালু করতে উদ্যোগী হন কতৃপক্ষ। সংগঠন সমিতি সূত্রে জানা গিয়েছে, সেফ হাউসে ২০ জন থাকতে পারবেন। সংক্রমিতদের খাবারের বন্দোবস্ত তারাই করবেন। পাশাপাশি তাদের প্রয়োজনীয় ওষুধ, নিয়মিত দেখভালের জন্য স্বাস্থ্য দফতরের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।
সংগঠন সমিতির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য তারকেশ্বর রায় বলেন,”মানুষের সুবিধার জন্য এই সেফ হোম খোলা হল।আপাতত দুটি বেড রয়েছে।ভবিষ্যতে কুড়িটি বেড করা হবে।খাওয়া-দাওয়া অক্সিজেন এবং পর্যাপ্ত চিকিৎসা দেওয়া হবে।এইজন্য আমরা সরকারের সহযোগিতাও চায়।”সঙ্গে তিনি বলেন,”এই মুহূর্তে আমাদের কাছে চারটি অক্সিজেন সিলিন্ডার রয়েছে।আরো দশটি সিলিন্ডার কেনার কথা আমরা ভাবছি।কিন্তু মালদা জেলায় কোথাও পাচ্ছি না।এই ক্ষেত্রেও প্রশাসন আমাদের সাহায্য করলে সুবিধা হবে।”
হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালের সিনিয়র মেডিক্যাল অফিসার চিকিৎসক ছোটন মন্ডল বলেন,”করোনা আক্রান্তদের আলাদা ভাবে আইসোলেট করে রাখা যাবে।এটা নিঃসন্দেহে খুব ভাল উদ্যোগ।আমরা আমাদের সাধ্যমতো সাহায্য করবো।ওষুধপত্র পরামর্শ এবং ম্যানপাওয়ার যতটা দরকার।তবে অক্সিজেন ক্যাপাসিটি হাসপাতালের বাইরে দেওয়ার মত নেই।তাই আপাতত সেটা আমরা পারবো না। চাঁচলে ১০০ শয্যার একটি করোনা হাসপাতাল খোলা হয়েছে।সেখানেই আপাতত রোগীদের পাঠানো হচ্ছে।তবে তুলনামূলক যাদের কম উপসর্গ থাকবে তাদের এই সেফ হোমে রাখা যাবে।হরিশ্চন্দ্রপুরে সরকারিভাবে বর্তমানে এরকম কোন আইসোলেশন সেন্টার নেই।গত বছর ছিল।খোলা হবে কিনা সেটা প্রশাসনের ব্যাপার।”
বাংলায় একটি প্রবাদ বাক্য আছে,”মানুষ মানুষের জন্য।”এই সংকটময় পরিস্থিতিতে যেভাবে বিভিন্ন ক্লাব এবং সংগঠন মানুষের সেবায় এগিয়ে আসছে তাতে সেই প্রবাদ বাক্যেরই সার্থকতা পাওয়া যাচ্ছে।এই মানবিকতার পরিচয় রেখে সারা বাংলার চোখে এক অদ্ভুত নজির গড়লো।
কলকাতা: বিশ্বজিৎ সাহা, কলকাতা: উষ্ণ সরস্বতী পুজো দক্ষিণবঙ্গে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে কার্যত শীত উধাও। উত্তরবঙ্গেও বাড়বে তাপমাত্রা। জানুয়ারি মাসে আর ফিরছে না শীতের আমেজ। আজ, বৃহস্পতিবার বিক্ষিপ্তভাবে কুয়াশার দাপট থাকবে সকালের দিকে। সরস্বতী পুজোর সময়ই কলকাতার তাপমাত্রা পৌঁছাতে পারে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি। কলকাতা ও তার আশপাশের এলাকার সকালের দিকে কুয়াশা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গেসঙ্গে পরিষ্কার হবে আকাশ। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৯ ও ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। উত্তরবঙ্গে আরও ২৪ ঘণ্টা একই রকম তাপমাত্রা থাকলেও তারপর থেকে কিছুটা তাপমাত্রা বাড়বে। ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়তে পারে উত্তরবঙ্গে জেলাগুলিতে আগামী কয়েক দিনে।
অর্থাৎ স্বাভাবিকের উপরে উঠবে উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রাও। বিহার সংলগ্ন উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা কুয়াশা সম্ভাবনা। সপ্তাহের শেষ দিকে পার্বত্য এলাকার আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে উত্তরবঙ্গের। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা যাওয়ার সময় দার্জিলিং, কালিম্পং-এর পার্বত্য এলাকায় এবং সিকিমে খুব হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতায় সকালে হালকা কুয়াশা। দিনভর পরিষ্কার আকাশ। দিনের বেলায় শীতের আমেজ উধাও হবে। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট উত্তর-পশ্চিম ভারতে চলছে। এই পশ্চিমী ঝঞ্ঝায় আরব সাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে। এই পশ্চিমী ঝঞ্ঝাটি ক্রমশ ধীরগতিতে পূর্ব ভারতের দিকে এগোবে। এর পিছনেই আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা আসছে উত্তর-পশ্চিম ভারতে। আগামী ২৭ জানুয়ারি শুক্রবার সেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝা উত্তর-পশ্চিম ভারতে ঢোকার সম্ভাবনা রয়েছে।
ডিজেল , পেট্রোল ও রান্নার গ্যাসের লাগামছাড়া মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে জলঙ্গির কাঁটাবাড়ি অঞ্চলে, জলঙ্গি বিধানসভার তৃণমূল তৃণমূল বিধায়ক আব্দুর রাজ্জাকের ডাকে ঐতিহাসিক কর্মীসভা। আজকের এই কর্মী সভা থেকে তৃণমূল নেতৃত্বদের সাধারণ মানুষের থাকার কথা বলেন বিধায়ক আব্দুর রাজ্জাক । এবং সুবিধাবাদী নেতৃত্বদের ঝেঁটিয়ে বিদায় করার কথা বলেন বলেন তিনি। এদিনের এই সভা থেকে তিনি সাধারণ মানুষকে বেশি গুরুত্ব দেন ।
পাশাপাশি পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে বুথে বুথে সংগঠনকে শক্তিশালী এবং মজবুত করতে নির্দেশ দেন তিনি। আজকের এই কর্মীসভায় উপস্থিত ছিলেন জলঙ্গি উত্তর ব্লক সহ সভাপতি গৌতম প্রামাণিক, যুব সভাপতি সালাউদ্দিন সরকার লিটন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এদিন কাঁটাবাড়ি বাজারে এই পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে বিশেষ আলোচনা করা হয়। এছাড়াও দলের সংগঠন নিয়েও আলোচনা হয়। আজকের এই সভায় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থক এর ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।
সুতি: সুতি থানার আহিরণ ভগবতী হরিদ্রাসি বিজ্রের উপর হঠাৎ করেই বিজ্রের জয়েন্টের ক্লাম খুলে যায়, ফাটল দেখা যায় জয়েন্টের রাস্তায়, তড়িঘড়ি ছুটে আসে NH কতৃপক্ষ, শুরু হয় রিপেয়ারিং এর কাজ, যদিও যান চলাচল সচল রাখতে খোলা রয়েছে আপর লেন, পর পর ৩ দিন চলবে বিজ্র রক্ষণাবেক্ষণের কাজ,
ফলে বন্ধ করে দেওয়া হবে পুরোপুরি ভাবে একটি লেন, সকাল থেকেই রয়েছে ৩৪ নং জাতীয় সড়ক দায়িত্বে থাকা একাধিক কর্মীরা,, রয়েছে পুলিশ প্রশাসন,